Home / অন্যান্য / ভাগ্য বলতে কিছু আছে ? কিভাবে ভাগ্যের পরিবর্তন করা যায় ?
ভাগ্য বলতে কিভাবে পরিবর্তন করা যায়

ভাগ্য বলতে কিছু আছে ? কিভাবে ভাগ্যের পরিবর্তন করা যায় ?

ভাগ্য বলতে যে কিছু আছে অনেকেই সেই বিষয়টা মানতে চান না রিসেন্ট সার্ভে তে দেখা গেছে যে সকল মানুষের ক্যারিয়ার ভাল ছিলো তাদের ভাগ্য ,কঠোর পরিশ্রম এবং সংকল্প ছিলো। তবে সত্যতা হচ্ছে ভালো কপাল অন্যদের থেকে আপনার সফল হবার চ্যান্স অবশ্যই বৃদ্ধি করবে। অনেকের মনে প্রশ্ন ভাগ্য বলতে সত্যিই কি কিছু আছে ? কিভাবে ভাগ্যের পরিবর্তন করা যায় ? সেই নিয়ে আমাদের আজকের এই পোস্ট। 

“ভাগ্য হচ্ছে এমন বিশ্বাস করা যে আপনি ভাগ্যবান”

টেনেস উইলিয়াম নামের এক ব্যাক্তি এইবিখ্যাত উক্তিটি দেন । সেখানে তিনি বুঝান , ভাগ্য হচ্ছে নিজের উপর কনফিডেন্স ।

তবে কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যদি সমস্ত সফল মানুষকে ভাগ্যবান বলা হয়, তবে কী তাদের জীবনে সফল করে তোলে? কঠোর পরিশ্রম, ইতিবাচকতা, ইতিবাচক স্বীকৃতি, আত্মবিশ্বাস … এটি সর্বাধিক সুস্পষ্ট বিষয় যা বিবেচনা করা হবে ..

কি হবে যদি একজন ৫ বার লটারি জেতে ? আপনি কি এটা ভাগ্য বলবেন নাকি কাকতালীয় ?

ভাগ্য কি সত্যিই এক্সিস্ট করে?

যদি সব সময় সব খারাপ হয় তাহলে কি আমরা এটাকে ব্যাড লাক হিসেবে ধরে নিব ?

এখানে কি কোন যাদুকরী ফোর্স আছে যা ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করে ?

বিজ্ঞান এই সম্পর্কে বলে যে এই ফোর্স আমাদের শরীরের ভাইব্রেশনাল স্টেট ছাড়া কিছুই না। কোয়ান্টাম ফিজিক্সে কিছু থিওরি রয়েছে যা এটা প্রমাণ করে যে আমাদের ইউনিভার্স ভাইব্রেশনাল। বৈজ্ঞানিক ভাবে আমরা পিউর এনার্জি ।

আমরা ম্যাটেরিয়াল রিল্ম এর বাইরে এনার্জি রিল্ম এ চলি ।

এটাকে ল অব ভাইব্রেশন বলে । আমরা যখন লো ফ্রিকুয়েন্সি তে থাকি তখন আমরা ভয় ,দুক্ষ এবং খারাপ থাকা অনুভূত করি । আর আমরা যখন হায়ার ফ্রিকুয়েন্সি তে থাকি তখন আমরা সর্বদা ভাগ্যবান,খুশি আর ভালো আছি এমন অনূভুতী হয় ।

“আমাদের সকল ফিজিক্যাল ম্যাটারগুলো ভাইব্রেশনে কম্পোজড হয় “

_ ডক্টর ম্যাক্স প্লাংক

ফিলোসোফিক্যাল এবং সাইন্টিফিক ব্যাসিস এ – “ল অব ভাইব্রেশন ” কোয়ান্টাম ফিজিক্সে এবং আইনস্টেন এর থিওরি অব রিলিটীভিটি তে পেতে পারি। শক্তি আলোর গতির সাথে সম্পর্কিত । আইনস্টেন এর ফেমাস ইকুয়েশন হচ্ছেঃ E = mc^2 equation

যখন দুটি ফ্রিকুয়েন্সি একই সাথে আসে তখন লো ফ্রিকুয়েন্সি উপরে উঠবে হাই ফ্রিকুয়েন্সিতে যেতে এটাই রেসোনেন্স এর সূত্র ।

আমাদের দেহের স্বাভাবিক ফ্রিকোয়েন্সি 60 মেগাহার্জ -72 মেগাহার্টজ এর মধ্যে, যার অর্থ যদি আমাদের শরীরের ফ্রিকোয়েন্সি 72 মেগাহার্টজ হয় তবে তার স্বাভাবিক। তবে আমাদের দেহের ফ্রিকুয়েন্সি প্রায়শই 60 মেগাহার্টজ এর নিচে কমে যায় যখন বিভিন্ন সমস্যাগুলি দেখা দেয়। 58 মেগাহার্টজ হল সেই ফ্রিকোয়েন্সি যেই ফ্রিকুয়েন্সি থাকলে আমরা হতাশ হই। এবং এর পরিণামে শেষ পর্যন্ত আমরা নেতিবাচক বিভিন্ন জিনিস অভিজ্ঞতা করতে থাকি।

ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ্য মাইন্ড নিকোলা টেসলা বলেছেনঃ

“IF YOU WANT TO UNDERSTAND THIS UNIVERSE THEN THINK IN TERMS OF ENERGY, VIBRATION AND FREQUENCY”

যার অর্থ এই যে আমরা যদি এই ইউনিভার্সটি অধ্যয়ন করতে চাই তবে আমাদের এই সমগ্র মহাবিশ্বকে ফ্রিকোয়েন্সি এবং কম্পন হিসাবে বিবেচনা করা উচিত। অনেক কোয়ান্টাম পদার্থবিদ বিশ্বাস করেন যে নিকোলা টেসলা এই টার্ম টার সম্পর্কে উপলব্ধি করতে চেয়েছিলেন।

এখন প্রশ্ন আসে আসলেই কি ভাগ্য এক্সিস্ট করে ? অবশ্যই করে ।

আমাদের জীবনে যা হয় তা শুধু মাত্র আমাদের বডির ফ্রিকুয়েন্সী বা কম্পন ।

আমরা আমাদের ভাগ্য ভাল করতে চাইলে অবশ্যই আমাদের ভাইব্রেশনাল ফ্রিকুয়েন্সি বাড়াতে হবে

নিচে কিছু উপায় দেয়া হলো কিভাবে ভাগ্য ভাল করা বা ভাগ্যের পরিবর্তন করা যেতে পারে।

১) প্রিয় গান অথবা আপনার মন ভাল হয় এমন কিছু শুনুন । যা আপনাকে বোরিং করে না ।

২) নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা থেকে দূরে থাকুন ।

৩) অতীত – ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করবেন না । বর্তমানে থাকুন ।

৪) যা ভাল লাগে তাই করুন । আপনার প্যাশন কে ফলো করুন ।

৫) ইয়োগা অথবা মেডিটেশন করুন ।

৬) নেগেটিভ পিপল দের থেকে দূরে থাকুন ।

ধন্যবাদ। আপনি যেকোনো কিছু অর্জন করতে পারেন যার ফলে আপনি নিজেকে ভাগ্যবান বলতে পারেন।  সবকিছু বুঝে শুনে কাজ করলে হয়ত আপনারও ভাগ্যের পরিবর্তন হইতে পারে। 

আপনার যেকোন বিষয়ে প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করুন, এমন আরও বিষয় জানতে ভিজিট করুন আমাদের প্রশ্নোত্তর ক্যাটেগরিতে এবং সবার আগে আমাদের পোস্ট পেতে ilmuddin – ইলমুদ্দিন ফেসবুক পেজে লাইক করুন। 

Check Also

ইলমুদ্দিন

ইলমুদ্দিন

ইলমুদ্দিনের ছেলেবেলাঃ ইলমুদ্দিন তৎকালীন অবিভক্ত ভারতবর্ষের সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করা একজন মুসলিম। ইলমুদ্দিন ৪ঠা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *